ঢাকা | বৃহস্পতিবার ৫ আগস্ট ২০২১, ২১ শ্রাবণ ১৪২৮, ২৫ জিলহজ ১৪৪২

২১ জুলাই: ক্রিকেটের এই দিনে

ক্রীড়া ডেস্ক

প্রকাশনার সময়: ২১ জুলাই ২০২১, ০২:৩৪ |

২০১৩- শততম ট্যুর ডি ফ্রান্স জিতেছিলেন গ্রেট ব্রিটেনের ক্রিস ফ্রুম।

২০০৫- অনেকের মতে সর্বকালের সেরা অ্যাশেজ শুরু হয়েছিল এই দিনে। আর শুরুটাই কী রক্তাক্ত! স্টিভ হার্মিসন ম্যাচের দ্বিতীয় বলেই ছড়ে ফেলেছিলেন জাস্টিন ল্যাঙ্গারের কনুই, ৫-৪৩ বোলিং ফিগারের পথে রক্ত বের করেছিলেন রিকি পন্টিংয়ের থুতনি থেকেও। অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম ইনিংসে ১৯০ রানে গুটিয়ে দিয়েও অবশ্য জিততে পারেনি ইংল্যান্ড, লর্ডসের ঢালকে আরও একবার কাজে লাগিয়েছিলেন গ্লেন ম্যাকগ্রা, ৩১ বলের এক স্পেলে তো ২ রান দিয়ে নিয়েছিলেন ৫ উইকেটও। টেস্টে ৫০০ উইকেটের মাইলফলকও ছুঁয়েছিলেন এই ম্যাচেই, অস্ট্রেলিয়া জিতেছিল ২৩৯ রানে।

২০০০ - গলে মুরালির মাস্টারক্লাস। ক্রোনিয়ে-উত্তর সময়ে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম টেস্টে তাদের ইনিংস ও ১৫ রানে হারিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। দুই ইনিংস মিলিয়ে মুরালিধরন নিয়েছিলেন ১৩ (৬+৭) উইকেট। এক ড্যারিল কুলিনান ছাড়া কোনো দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যানই দাঁড়াতে পারেননি তাঁর সামনে, প্রথম ইনিংসে অপরাজিত ১১৪ রান করা কুলিনান বলেছিলেন, মুরালির সামনে টিকে থাকা 'পুরোটাই ভাগ্য'।

১৯৯৫-ক্যারিয়ারে প্রথম পেয়ারের দেখা পেয়েছিলেন ব্রায়ান লারা। ক্যান্টারবুরিতে এক ট্যুর ম্যাচে দুই ইনিংসেই শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন কেন্টের জুলিয়ান থম্পসনের বলে। যদিও ইংল্যান্ড থম্পসনের ওই কাজে খুশি হয়েছিল বলে মনে হয় না। ওই ম্যাচের আগের তিন টেস্টে লারা করেছিলেন ১৮২, আর পরের তিন ম্যাচে? ৫৮৩!

১৯৭৯-টুর্নামেন্টের ৩০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রান, সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি, সবচেয়ে বেশি গোল্ড অ্যাওয়ার্ড তাঁর। বেনসন অ্যান্ড হেজেস কাপের ফাইনালে প্রথম সেঞ্চুরিও এসেছিল গ্রাহাম গুচের ব্যাটেই। তাঁর ১২০ রানের ইনিংসে চড়েই সাসেক্সকে ৩৫ রানে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল এসেক্স।

১৯৪৭-চেতন চৌহানের জন্ম। সুনীল গাভাস্কারের ওপেনিং পার্টনার হিসেবেই যাঁকে চিনেছে ক্রিকেট-বিশ্ব। গত শতাব্দীর ৭০ এবং ৮০'র দশকে গাভাস্কারের সঙ্গে দশটি সেঞ্চুরি জুটি গড়েছিলেন তিনি, নিজে অবশ্য সেঞ্চুরির দেখা পাননি কখনোই। কোনো সেঞ্চুরি ছাড়াই টেস্ট ক্যারিয়ারে ২০০০ রান করা প্রথম ব্যাটসম্যান তিনি, সেঞ্চুরি ছাড়াই সর্বোচ্চ টেস্ট সংগ্রহের রেকর্ডটা তাঁর কাছ থেকে কিছুদিন আগেই ছিনিয়ে নিয়েছেন নিরোশান ডিকভেলা।

১৯৪৫-ব্যারি রিচার্ডসের জন্ম। খেলেছেন মাত্র চার টেস্ট, এক সিরিজেই খেলা ওই চার টেস্টে ৭২.৫৭ গড়ে করেছিলেন ৪০৮ রান। হ্যাম্পশায়ারের হয়ে এরপর দুর্দান্ত একটা কাউন্টি ক্যারিয়ার গড়লেও আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার লম্বা হয়নি আর। বর্ণবৈষম্যের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকাই তো নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছিল ক্রিকেট থেকে।

১৯৩৪- লেগ থিওরির সর্বশেষ প্রয়োগ ঘটেছিল এই দিনে। নটিংহ্যামশায়ারের হয়ে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে চার ওভার বডি লাইনে বোলিং করলেই আক্রমণ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় বিল ভোসকে। ডগলাস জার্ডিনের বডিলাইন বোলিংয়ের মূল সেনানী হ্যারল্ড লারউড ফিরেছিলেন গোড়ালির চোট কাটিয়ে, তিনি অবশ্য শরীর তাক করে বল করেননি ওই ম্যাচে।

১৮৮৪-লর্ডসে প্রথম টেস্ট। এমনিতে লর্ডসের মাটিতে ইংল্যান্ডের অ্যাশেজ রেকর্ড ভালো না হলেও প্রথম টেস্টে জয় পেয়েছিল তারাই। অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল ইনিংস ও ৫ রানে। এই ম্যাচেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দেখেছিল বদলি ফিল্ডারের হাতে তালুবন্দি হওয়া প্রথম ক্যাচ। স্কোয়াডে অতিরিক্ত কোনো ফিল্ডার না থাকায় অজি অধিনায়ক বিলি মারডকই এক পর্যায়ে নেমে গিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের হয়ে ফিল্ডিংয়ে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১০ চারে ৭৫ রানের ইনিংস খেলা হেনরি স্কটের ক্যাচও নিয়েছিলেন এরই মধ্যে।

নয়া শতাব্দী/এসইউ

নয়া শতাব্দী ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

এই পাতার আরও খবর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বেটা ভার্সন
x