ঢাকা, সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২১ শাওয়াল ১৪৪৩

১৩০-১৪০ টাকায় সয়াবিন তেল পৌঁছে দেয়া সম্ভব: গোলাম রাব্বানী

প্রকাশনার সময়: ০৪ মার্চ ২০২২, ২২:৪২ | আপডেট: ০৪ মার্চ ২০২২, ২২:৪৭

ব্রাজিল, যুক্তরাষ্ট্র, আর্জেন্টিনার মতো শীর্ষ সয়াবিন উৎপাদনকারী দেশ থেকে বি২বি সিস্টেমে সরাসরি উৎপাদক থেকে বাল্ক এমাউন্ট সয়াবিন আমদানি করে নিজস্ব ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেল ও ট্রান্সপোর্ট'র মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলা-ইউনিয়নের বাজারে সাধারণ ভোক্তার কাছে লিটার প্রতি ১৩০-১৪০ টাকায় সয়াবিন তেল পৌঁছে দেয়া সম্ভব বলে মনে করেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকসুর সাবেক জিএস গোলাম রাব্বানী।

শুক্রবার (৪ মার্চ) নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেইজে এমন মন্তব্য করেন গোলাম রাব্বানী। গোলাম রাব্বানীর সেই ফেসবুক স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

পেট্রোল, ডিজেল, অকটেনের মতো জ্বালানী তেল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারি প্রতিষ্ঠান (পদ্মা, মেঘনা, যমুনা প্রভৃতি) দ্বারা পরিচালিত হতে পারলে, সয়াবিন, সরিষা, অলিভ, রাইস ব্যান, সূর্যমুখী প্রভৃতি নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোজ্যতেল রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান, তথা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত হতে পারবে না কেন? সমস্যাটা কোথায়?? কেন দেশের ১৮ কোটি মানুষ এবং স্বয়ং সরকার গুটি কয়েক অসাধু, লোভী, অতিমুনাফাভোগী অবৈধ মজুতদার সিন্ডিকেট চক্রের কছে জিম্মি থাকবে? উত্তর কিন্তু প্রায় সবার জানা।

সরকার নিজে না করলে সরাসরি তত্ত্বাবধানে আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্যের সাথে সামঞ্জস্যতা রেখে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)'র আওতাধীন SAOCL এর ন্যায়, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (রাষ্ট্রের ৫১%, ব্যক্তিমালিকানাধীন ৪৯%) এর মাধ্যমেও বিশ্বের যে দেশ থেকে সবচেয়ে কম মূল্যে কাঁচামাল আমদানি করা যায়, সেখান থেকে এনে ভোজ্যতেলের বাজার স্থিতিশীল করতে হবে। জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে আমদানিকৃত ভোজ্যতেল বা কাঁচামালে ভ্যাট-ট্যাক্স মওকুফ করতে হবে।

জ্বালানী তেলে সিস্টেম লসের নামে মাদার ভ্যাসেল থেকে তেল নামানোর সময় থেকে শুরু করে তেলবাহী যান ডিপো ও পাম্পে যাওয়া পর্যন্ত কয়েক ধাপে তেল চুরি, এনালগ সিস্টেমে চলা হিসেবে শত-শত কোটি টাকার নয়ছয়ের পরও তো সরকারি প্রতিষ্ঠান দিব্যি চলছে... তাহলে জনগণের চাহিদা-প্রয়োজন চিন্তা করে ভোজ্যতেলের জন্য এমন উদ্যোগ নয় কেন?

অবাধ তথ্যপ্রবাহের এই ডিজিটাল যুগে যথাযথ খোঁজখবর নিয়েই বলছি- ব্রাজিল, যুক্তরাষ্ট্র, আর্জেন্টিনার মতো শীর্ষ সয়াবিন উৎপাদনকারী দেশ থেকে B2B সিস্টেমে সরাসরি উৎপাদক থেকে বাল্ক এমাউন্ট সয়াবিন আমদানি করে, (সমুদয় কাস্টমস চার্জ মওকুফ করে) নিজস্ব ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেল ও ট্রান্সপোর্ট'র মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলা-ইউনিয়নের বাজারে পৌঁছে দিতে পারলে (যার পূর্ণ সক্ষমতা Team Positive Bangladesh (TPB) এর রয়েছে) সাধারণ ভোক্তার কাছে লিটার প্রতি ১৩০-১৪০ টাকায় সয়াবিন তেল পৌঁছে দেয়া সম্ভব।

পারলে করে দেখান, না পারলে টিপিবি'কে দায়িত্ব দিন, আমরা করে দেখাই

নয়া শতাব্দী ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আমার এলাকার সংবাদ