ঢাকা | বৃহস্পতিবার ৫ আগস্ট ২০২১, ২১ শ্রাবণ ১৪২৮, ২৫ জিলহজ ১৪৪২

নীল জলের মায়াবী লেক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশনার সময়: ১৮ মার্চ ২০২১, ১৫:৪৮ | আপডেট : ২৯ জুন ২০২১, ১৯:০৭
ফাইল ছবি

১৯৪০ সালে সিলেটের সুনামগঞ্জের ছাতকে নির্মাণ করা হয় ‘আসাম বাংলা সিমেন্ট ফ্যাক্টরি’। ভারতের মেঘালয় পাহাড় থেকে চুনাপাথর সংগ্রহ করে এর চাহিদা মেটানো হতো। বিভিন্ন সমস্যার কারণে ভারত থেকে চুনাপাথর সংগ্রহ বন্ধ হয়ে গেলে সিমেন্ট ফ্যাক্টরি চালু রাখতে ১৯৬০ সালে তাহিরপুর সীমান্তের টেকেরঘাটে জরিপ চালানো হয়। ৩২৭ একর ভূমির উপর জরিপ চালিয়ে চুনাপাথরের সন্ধান পায় বিসিআইসি কর্তৃপক্ষ। ১৯৬৬ সাল থেকে খনিজ প্রকল্প চালু করে দীর্ঘদিন পাথর উত্তোলন করা হয় এখান থেকে। এই খনিজ ভূমির অনেকটাজুড়ে ছিল লেক।

১৯৯৬ সালে প্রকল্পটি লোকসানি প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে কোয়ারি থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। এরপর থেকেই টেকেরঘাট চুনাপথরের পরিত্যাক্ত খনির লাইমস্টোন লেক অলস পড়ে থাকে। নীল রঙের পানি থাকায় এই লেক ‘নীলাদ্রি লেক’ হিসেবেও পরিচিতি পায়। যদিও লেকের প্রকৃত নাম শহীদ সিরাজ লেক। অবশ্য স্থানীয় লোকজন একে ‘টেকেরঘাট পাথর কোয়ারি’ নামে চেনে।

লেকের নীল জলরাশি মিশেছে আকাশের নীলে

ইতিহাস থেকে কথাগুলো বলছিলেন সহকর্মী মুসা ভাই। মঙ্গলবার অফিসে কিছুটা কাজের চাপ কম, কথা হচ্ছিল আসছে সপ্তাহে নতুন কোথায় যাওয়া যায়? মুসা ভাইয়ের কথা শুনে মনে মনে ঠিক করে ফেললাম- আসছে সপ্তাহে মিশন হবে নীলাদ্রি লেক।

সপ্তাহান্তে সেই কাঙ্ক্ষিত দিনটি এলো। পূর্ব পরিকল্পনা মতো সকাল হতেই তৈরি হয়ে নিলাম। ফোন দিলাম মুসা ভাইকে- আমি তৈরি হয়ে গেছি, কোথায় আসতে হবে? তিনি বললেন, নীলাদ্রি লেকে যেতে হলে প্রথমে যেতে হবে সুনামগঞ্জ। সেখানে থেকে বাকি পথ মটরসাইকেলে যেতে হবে। কিন্তু সুনামগঞ্জ যাবো কীভাবে?

মুসা ভাই বললেন, আপনি চৌহাট্টা আসেন। সেখান থেকে সুনামগঞ্জ যাবার পরিবহন পাওয়া যাবে। কথা মতো আমি উপস্থিত হলাম চৌহাট্টায়, অপেক্ষা করতে লাগলাম মুসা ভাইয়ের। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি উপস্থিত। আমরা চার চাকার যানে রওনা দিলাম সুনামগঞ্জ পানে।

নয়া শতাব্দী ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

এই পাতার আরও খবর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বেটা ভার্সন
x