ঢাকা, সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২১ শাওয়াল ১৪৪৩

কৃত্রিম সংকট তৈরি ঘৃণ্য অপরাধ

প্রকাশনার সময়: ১৪ মে ২০২২, ০৮:০৮

ইসলামে ব্যবসা হলো ইবাদত। ব্যবসার মাধ্যমে সওয়াব অর্জন করা যায়। অধিকাংশ নবী-রাসুল ব্যবসা পেশায় জড়িত ছিলেন। তারা জীবিকা উপার্জনে হালাল পেশায় সম্পৃক্ত ছিলেন। আমাদের নবী মুহাম্মদ (সা.)ও ব্যবসা করতেন। হাদিসের ভাষ্যমতে, ব্যবসায় রিজিকের ১০ ভাগের ৯ ভাগ রয়েছে। সুতরাং ব্যবসা করতে হবে সততার সঙ্গে। অসৎ পন্থায় ব্যবসা করা নিষেধ। অসৎ পদ্ধতিতে ব্যবসা করা হারাম। রাসুল (সা.) বলেন, ‘সৎ ও আমানতদার ব্যবসায়ী কিয়ামতের দিন নবী, সত্যবাদি ও শহিদদের সঙ্গে থাকবে।’ আর অসৎ ব্যবসায়ীর অবস্থান হবে ঘৃণিত।

বর্তমানে সারাদেশে খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। শহর থেকে শুরু করে গ্রামে পর্যন্ত এক শ্রেণির অপরাধী চক্র গড়ে উঠেছে। তারা খাদ্য মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। ইসলামে খাদ্য মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হারাম। নবী (সা.) বলেন, মজুদদারি করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হারাম। মজুদদার অভিশপ্ত।’ কত্রিম সংকট তৈরি করা অনৈতিক কাজ। এটা ফৌজদারি অপরাধ। যারা এগুলো করে তাদের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত। এতে জনগণ ও রাষ্ট্রের ক্ষতি হয়। মানুষ সংকটে পড়ে। জীবনের গতি বিপন্ন হয়।

জনগণের চাহিদা মিটানোর জন্য বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি করা সওয়াব। জনগণের জন্য আমদানি করা ইবাদত। সে জায়গায় যারা অসাধু উপায়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তারা গুনাহগার। তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে। সবার মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। সবাই নিজের অবস্থান থেকে এ ব্যাপারে কথা বলতে হবে। মসজিদের খতিবরা জুমার খুতবায় মজুদদারির বিষয়ে আলাপ করবেন। বক্তরা ওয়াজের মাঠে কথা বলবেন। টিভি-চ্যানেল-পত্রিকাগুলো বড় ভূমিকা রাখতে পারে এ ব্যাপারে।

নয়া শতাব্দী/জেআই

নয়া শতাব্দী ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আমার এলাকার সংবাদ