ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট ২০২২, ১ ভাদ্র ১৪২৯, ১৭ মহররম ১৪৪৪

আনন্দ ছড়িয়েছে সারা দেশে, বায়তুল মোকাররমে বিশেষ দোয়া

প্রকাশনার সময়: ২৫ জুন ২০২২, ১৬:৩১

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে যেন আজ বাঙালির স্বপ্ন পূরণের দিন। এই স্বপ্ন পূরণে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতেছে পুরো জাতি। সারা দেশে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে নেয়া হয়েছে ব্যাপক আয়োজন। শনিবার (২৫ জুন) দেশের বিভিন্ন স্থানে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পালন করা হয়েছে।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে এদিন বাদ যোহর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মো. এহসানুল হক।

দোয়া ও মোনাজাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোহাম্মদ মহীউদ্দিন মজুমদার, উপ-পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামসহ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিন সকালে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের আনন্দ-উৎসবে অংশ নিতে বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালির আয়োজন করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপির সুসজ্জিত ব্যান্ড দলের সুমধুর ছন্দে এই আনন্দ র‌্যালি ক্যাপ্টেন মনসুর আলী সরণীর ডিএমপি সদর দপ্তর থেকে শুরু হয়ে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে গিয়ে শেষ হয়।

বর্ণাঢ্য এ পদযাত্রা শেষে রাজারবাগ অডিটরিয়ামে শুভেচ্ছা বক্তব্যে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (অ্যাডমিন) মীর রেজাউল আলম বলেন, আজকের দিনটি ১৮ কোটি বাঙালির জীবনে স্মরণকালের আনন্দের দিন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি সম্পন্ন বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আজ স্বপ্নের পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন হয়েছে। পদ্মা সেতুর মাধ্যমে বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে পরিচিত হচ্ছে। পুরো জাতির আনন্দের সঙ্গে আমরাও এ আয়োজনের মাধ্যমে অংশীদার হয়েছি। এ অর্জনের কারণে বাংলাদেশ বহুদুর এগিয়ে যাবে।

পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষ্যে ঝিনাইদহে আয়োজন করা হয়েছে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকালে শহরের প্রেরণা একাত্তর চত্বর থেকে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে সরকারি বিভিন্ন দফতরসহ সামাজিক সংগঠনগুলো অংশ নেয়। পরে শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে পুরাতন ডিসি মুক্তমঞ্চে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

গাজীপুরেও পদ্মা সেতু উদ্বোধন ঘিরে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশাল আনন্দ শোভাযাত্রা। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে অংশ নেয় বিভিন্ন স্কুল কলেজের শত শত শিক্ষার্থী। এ সময় বর্ণাঢ্য র‍্যালি শেষে শহরের ঐতিহ্যবাহী রাজবাড়ী মাঠে পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান উপভোগ করছে গাজীপুরের সর্বস্তরের জনগণ।

স্বপ্নের পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধন উপলক্ষ্যে ঝালকাঠিতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা হয়েছে। সকাল ৯টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে এসে শেষ হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলীর নেতৃত্বে সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন স্তরের প্রায় এক হাজার মানুষ শোভাযাত্রায় অংশ নেয়।

নানা আয়োজনের মাধ্যমে মৌলভীবাজারে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পালন করা হয়েছে। এ সময় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে গিয়ে শেষ হয়। এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিছবাউর রহমানসহ অনেকে।

‘আমার টাকায় আমার সেতু’ স্লোগান সামনে রেখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সিরাজগঞ্জে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ, পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হোসেন আলী হাসানসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীরা।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে মোংলা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আনন্দ মিছিল ও র‌্যালি বের করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা চত্বরের সামনে থেকে র‌্যালিটি বের হয়।

এদিকে সড়কপথে বাস, মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাসে এবং নৌপথে মোংলাসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ২০টির মতো লঞ্চ তিন শতাধিক জালি বোর্ট ও ইঞ্জিনচালিত শতাধিক ট্রলারে ভোর থেকেই কাঁঠালবাড়ি জনসভাস্থলে গিয়ে যোগ দেন মোংলার কয়েক লাখ মানুষ।

ভার্চুয়ালি গর্বের পদ্মা সেতু উদ্বোধনে অংশ নিল মেহেরপুরবাসীও। পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা প্রশাসন চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে স্থানীয় শহীদ সামসুজ্জোহা পার্কে গিয়ে শেষ হয়। শহীদ সামসুজ্জোহা পার্কে বড় পর্দায় ভার্চুয়ালি পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠান সরাসরি দেখানো হয়।

স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধনের সাক্ষী হলেন যশোরের সর্বস্তরের মানুষ। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে টাউন হল ময়দানে বড় পর্দায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখার আয়োজন করায় নানা বয়সের নারী-পুরুষ অংশ নেন।

স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আনন্দ মিছিল ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার (২৫ জুন) সকাল ১০টায় শহরের বঙ্গবন্ধু চত্বর থেকে র‌্যালিটি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা স্টেডিয়ামে গিয়ে শেষ হয়।

পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষ্যে পঞ্চগড়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়েছে। শনিবার (২৫ জুন) সকালে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম স্টেডিয়াম গিয়ে শেষ হয়। পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম স্টেডিয়ামে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বড় পর্দায় সরাসরি দেখানো হয়।

সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের বিপুল অংশগ্রহণ ও উজ্জীবিত জনতার বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাসে বিভাগীয় শহর খুলনায় বাংলাদেশের সক্ষমতার প্রতীক পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠান উদযাপন করা হয়েছে। শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক পদ্মা সেতু উদ্বোধনের জাতীয় অনুষ্ঠানমালা খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে বড় পর্দায় সরাসরি প্রদর্শন করা হয়। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের সাথে সাথে খুলনায় নানা রঙের বেলুন উড়িয়ে মুহুর্তটি উদযাপন করা হয়।

এই উদ্বোধনের আনন্দে মেতেছে নীলফামারীবাসীও। শনিবার সকাল থেকেই পদ্মাসেতুর বিভিন্ন গান ও প্রচারণায় মুখর ছিল জেলা শহর। সকাল ৯টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক ইয়াসির আরেফিনের নেতৃত্বে এক আনন্দ সোভা যাত্রা বের হয়ে শহরের মূল সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে উপস্থিত হয়। এ সময় জেলা পুলিশ সুপার মোখলেসুর রহমান, পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহম্মেদ উপস্থিত ছিলেন। হাজারো শিক্ষার্থীর পদচারণা ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে শোভা যাত্রায় যোগ হয়েছিল নতুন মাত্রা। এছাড়াও পুলিশ আনছার ও সরকারি বেসরকারি চাকরিজীবীরাও উপস্থিত ছিলেন।

এ সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে বরিশালে বর্ণাঢ্য র‌্যালি করেছে জেলা ও পুলিশ প্রশাসন। শনিবার সকাল ৮টায় বরিশাল জেলা পুলিশ লাইন্স প্রাঙ্গণ থেকে বেলুন উড়িয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালির উদ্বোধন করে রেঞ্জ ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান। সকাল সাড়ে ৮টায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্স এর এমটি গেট থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের আয়োজনে র‌্যালিটি পুলিশ লাইন্স সড়ক হয়ে সার্কিট হাউজ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। অপরদিকে, সকাল ৯ টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণ থেকে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়।

রঙ বেরঙের বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে লক্ষ্মীপুর থেকে ১২টা ৫ মিনিটে স্বপ্নের ‘পদ্মা সেতু’ উদ্বোধন করেন লক্ষ্মীপুরবাসী। সকাল ৯টা থেকে লক্ষ্মীপুর জেলা স্টেডিয়াম মাঠে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জমকালোভাবে সাজানো হয় স্টেডিয়াম মাঠ। এ মাঠ থেকে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে লক্ষ্মীপুরবাসী উপভোগ করেন স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠান।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে নগরীর জামালখান মোড়ে সেতুর রেপ্লিকা স্থাপন করেছেন স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন। এছাড়া সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উদ্যোগে বর্ণিল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। বেলুন উড়িয়ে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন সিএমপি কমিশনার সালেহ্ মোহাম্মদ তানভীর। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশের অন্যান্য ইউনিটের সদস্যরা ও সাধারণ জনগণ শোভাযাত্রায় অংশ নেন। এদিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে।

ফেনীতে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। শহরের প্রবেশপথ মহিপাল ও ট্রাংক রোডে লাগানো হয়েছে বিশালাকৃতির বিলবোর্ড। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় করে রাখতে আজ শনিবার দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি চলছে। শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পৌরসভা প্রাঙ্গণে বড় পর্দায় সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। জেলা পর্যায়ে বেলুন, ফেস্টুন ও পায়রা ওড়ানো হয়। অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা, কেক কাটা ও পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে এক আনন্দ র‌্যালি বের করা হয়। শনিবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে র‌্যালিটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুরাতন স্টেডিয়ামে এসে র‌্যালিটি শেষ হয়। উক্ত র‌্যালিতে অংশ গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম, পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ বিপিএম (বার), জেলা পরিষদ প্রশাসক মোঃ জিল্লুর রহমান রহমান, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড.এম.এ আফজল, পৌর মেয়র মোঃ পারভেজ মিয়া, উপজেলা চেয়ারম্যান মামুন আল মাসুদ খান, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিলকিছ বেগম, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাচ্চু প্রমুখ। পরে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি কিশোরগঞ্জ পুরাতন স্টেডিয়ামে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। এতে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশ নেয়।সন্ধ্যায় উক্ত স্থানে আতশবাজী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

সারাদেশের ন্যায় টাঙ্গাইলেও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার সকালে পৌর শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের মুক্তমঞ্চে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বড় পর্দায় সম্প্রচার করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের শিল্পীদের সমন্বয়ে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

চাঁদপুরে হাজার হাজার মানুষের অংশগ্রহনে জেলা প্রশাসনের বর্ণিল আয়োজনে শোভযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টায় চাঁদপুর শহরের হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের মানুষ একত্রিত হয়। সকাল সোয়া ৯টায় ওই মাঠ থেকে একে একে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সড়ক, মিশন রোড ও স্টেডিয়াম রোড হয়ে স্টেডিয়ামের আভ্যন্তরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে সকলে আসন গ্রহণ করেন। শোভাযাত্রায় নেতৃত্বেদেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপি।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে নড়াইলে বিভিন্ন আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার এ উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ,নড়াইলের আয়োজনে, কেন্দ্রীয় কর্মসুচির সাথে মিল রেখে, মাওয়া ও জাজিরা পয়েন্টে মূল অনুষ্ঠান বড় পর্দায় প্রদর্শন, বর্নাাঢ্য আনন্দ র‌্যালী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, রাতে আতশবাজি প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে জেলা শিল্পকলা অডিটোরিয়ামে কেন্দ্রীয় কর্মসুচির সাথে মিল রেখে, মাওয়া ও জাজিরা পয়েন্টে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান প্রদর্শন শেষে, নড়াইল জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বর থেকে একটি বর্নাঢ্য আনন্দ র‌্যালী শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে নড়াইল বীরশ্রেষ্ঠ নুর মোহম্মদ ষ্টেডিয়ামে এসে শেষ হয়।

স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় আক্রান্ত সিলেট। বন্যায় অনেক কিছু হারিয়ে নিঃস্ব মানুষের হাহাকার সবখানে। এরই মধ্যে শনিবার উদ্বোধন করা হয় বাঙালির সক্ষমতার প্রতীক পদ্মা সেতু।

স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে শনিবার সারা দেশেই বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। নিজেদের দুর্দিন ভুলে সেই উৎসবে শামিল হয়েছে সিলেটও। বন্যাকবলিত সিলেট অঞ্চলে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের কোনো অনুষ্ঠান না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ২২ জুন সিলেটের জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে এক সভায় বন্যা পরিস্থিতিতে পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়।

তবুও উৎসবের এই উপলক্ষ থেকে নিজেদের বঞ্চিত রাখেনি সিলেটবাসী। জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও আওয়ামী লীগের উদ্যোগে নগরের বিভিন্ন স্থানে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বড় পর্দায় সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে। বিপুলসংখ্যক মানুষ সেই অনুষ্ঠান দেখতে জড়ো হন। এ ছাড়া জেলা ও মহানগর পুলিশের উদ্যোগে শোভাযাত্রাও বের করা হয়।

নয়াশতাব্দী/জেডআই

নয়া শতাব্দী ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আমার এলাকার সংবাদ