ঢাকা | রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ আশ্বিন ১৪২৮

গভীর অসুস্থতায় আজকের পৃথিবী

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

প্রকাশনার সময়

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:১৬

হাজার হাজার বছরের সাধনায় মানুষের সভ্যতা এগিয়েছে। সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার এক দ্বীপের গুহার ভেতরে মানুষের আঁকা পশুর ছবি পাওয়া গেছে। গবেষকরা মনে করেন, এ ছবি আঁকা হয়েছে কমপক্ষে ৪৫ হাজার ৫শ’ বছর আগে। ইতিপূর্বে দক্ষিণ আফ্রিকায় মানুষের আঁকা ছবির নিদর্শন পাওয়া গিয়েছিল, সে ছবি আরো পুরনো, ৭৩ হাজার বছর আগের। অগ্রগতির এ রকম অগুনতি প্রমাণ বিদ্যমান।

সভ্যতার অগ্রগতির এক পর্যায়ে পুঁজিবাদ এসেছে এবং তা পৃথিবীতে এনেছে অভূতপূর্ব প্রাচুর্য। সঙ্গে সঙ্গে আবার সে মানুষের বিমানবিকীকরণও ঘটিয়েছে। এই বিমানবিকীকরণ শুধু যে যান্ত্রিকতা বা ভোগ-বিলাসিতা বৃদ্ধির মধ্য দিয়েই ঘটল, তা নয়। বিমানবিকীকরণ দেখা গেল মানুষকে পরস্পর-বিচ্ছিন্ন ও আত্মকেন্দ্রিক করার ভেতরেও। করোনাকালে বিচ্ছিন্নতা ও আত্মকেন্দ্রিকতার চরম প্রকাশ ঘটেছে। তার ভেতরের বাণীটা হলো, তুমি ততটাই নিরাপদ যতটা তুমি অসামাজিক।

আটকেপড়া মানুষদের মধ্যে বিষণ্ণতা ও হতাশা বাড়ল, হিংস্রতা উগ্র হলো। প্রতারণার কৌশলগুলো দক্ষ থেকে দক্ষতর হলো। ধর্ষণ ও আত্মহত্যা দুটিই বৃদ্ধি পেল। দক্ষিণ কোরিয়াকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের রোল মডেল বলা হয়। সেখানে আত্মহত্যার হার আগেও বেশি ছিল, করোনার সময়ে তা নতুন উচ্চতায় গিয়ে পৌঁছেছে। বেশি করে ঘটছে মেয়েদের আত্মহত্যা। মেয়েদের আত্মহত্যার এ ব্যাপারটা অবশ্য কোনো ব্যতিক্রম নয়, যে কোনো প্রকার বিপর্যয়ে মেয়েরাই ভুক্তভোগী হয় অধিক মাত্রায়।

সবকিছুরই কি শেষ নেই? নিশ্চয় শেষ আছে। শেষ আছে করোনাযুদ্ধেরও। যুদ্ধের শেষে ধ্বংসাবশেষ পড়ে থাকে। করোনার এই যুদ্ধ যখন শেষ হবে, দেখা যাবে অনেক কিছুরই ভাঙচুর ঘটেছে। বহু মানুষ মারা গেছে, যাদের বেঁচে থাকার কথা ছিল। প্রকৃত হিসাব বের করা কঠিন হবে, তবে মৃত্যুর ঘটনা মেনে নেয়া আরো কঠিন হবে বেঁচে-যাওয়া আপনজনের পক্ষে। প্রায় সব দেশেরই জীবন থেকে একটা বছর খোয়া গেছে। মানুষের গড় আয়ু এক বছর কমে গেল, আমেরিকানরা বলছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে এমনটা একবার নাকি আমেরিকাতে ঘটেছিল।

এবারকার ঘটনাও কিন্তু একটা বিশ্বযুদ্ধের মতোই। তবে আমেরিকানরা এটাও লক্ষ্য না করে পারেনি যে, তাদের দেশে বিপদটা গেছে কালো চামড়ার লোকদের ওপর দিয়েই অধিক মাত্রায়। একজন সাদা প্রাণ হারালে তিনজন কালোর প্রাণহানি ঘটেছে। সব দেশের অর্থনীতিই বিপর্যস্ত। তবে ক্ষতিটা গরিব দেশ ও গরিব মানুষেরই ঘটেছে সর্বাধিক। গরিব দেশের গরিব মানুষের তো কথাই নেই।

গরিব দেশ আরো গরিব হলো, গরিব মানুষের দুর্দশা আরো বৃদ্ধি পেল। এমনটাই অবশ্য হওয়ার কথা ছিল। মানুষ বেকার হয়েছে, ছোট ছোট ব্যবসায়ী নিজেদের পুঁজি ভেঙে খেয়েছে। কীভাবে উঠে দাঁড়াবে তারা জানে না। এর মধ্যে আবার কিছু মানুষ, সংখ্যা তাদের খুবই অল্প, নিজেদেরটা খুবই সুন্দরভাবে গুছিয়ে নিয়েছে, তারা আরো ধনী হয়েছে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক গবেষক একযোগে বলেছেন, মানুষের এই বিপদের মধ্যে বিশ্বের ১০ জন ধনী ব্যক্তি এতটাই ধনী হয়েছেন যে, সেটা রীতিমতো ‘লজ্জাজনক’। দুমড়ে-মুচড়ে গেছে মানবিক সম্পর্কও। মানুষের মহত্ত্ব যে দেখা যায়নি, তা অবশ্য নয়। আক্রান্ত রোগীদের নিরাময়ে অসংখ্য চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মী যেভাবে দিন-রাত কাজ করেছেন, সেটা যে শুধু চাকরির জন্য তা নয়, মানবিক সংবেদনাও কার্যকর ছিল। চিকিৎসা ও টিকা উদ্ভাবনে বৈজ্ঞানিকদের যে গবেষণা, তাকেও সাধারণ বলা যাবে না। এ ফাঁকে ব্যক্তিমালিকানাধীন কোনো ওষুধ কোম্পানি ও হাসপাতাল যে ধরনের মুনাফালিপ্সা দেখিয়েছে, রীতিমতো ভয়াবহ। ফেসবুক ও টুইটারের মতো তথাকথিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তাদের ব্যবসার রেকর্ড ভঙ্গ করেছে।

করোনাভাইরাস নিজে কিন্তু মানুষের মহত্ত্ব বা মুনাফা সংগ্রহের জন্য সুযোগের সদ্ব্যবহার এ দুইয়ের কোনোটাই দেখতে চায়নি। করোনাভাইরাসের ঘোষণাটি ছিল মানুষকে পুরোপুরি অমানুষে পরিণত করার। মানুষ তো একটি প্রাণীই, আর পাঁচটা প্রাণীর মতোই। নিজেকে সে যে অন্যদের তুলনায় সেরা ঘোষণা করেছে, সেটা তার সৃষ্টিশীলতা ও সামাজিকতার জন্য। সৃষ্টিশীলতা বুদ্ধিবৃত্তির সঙ্গে যুক্ত। এবং উভয়েরই বিকাশ ঘটে সামাজিকভাবেই, সামাজিকতার ভেতর দিয়ে। মানুষের একেবারে প্রথম পরিচয়ই হলো সে একটি সামাজিক প্রাণী।

করোনাভাইরাস ঠিক ওই পরিচয়ের জায়গাতেই আক্রমণ করে বসেছে। মানুষকে সে জানিয়ে দিয়েছে, অতি-আধুনিক এই বিশ্বে মানুষের টিকে থাকার প্রথম শর্তই হবে অসামাজিক হওয়া। বাঁচতে হলে নাকচ করে দিতে হবে সর্বপ্রকার সামাজিকতাকে, হতে হবে আত্মকেন্দ্রিক, স্বার্থপর, বিবরবাসী, আদিমের চেয়েও আদিম।

বিষণ্ণতা, বিষাদ ইত্যাদি প্রসঙ্গ উঠলে বিশেষভাবে মনে পড়ে কবি জীবনানন্দ দাশকে। আমাদের অনেকের মতো তার জীবনেও আনন্দটা ছিল কম। করোনা পরিস্থিতি তাকে সহ্য করতে হয়নি, চলে গেছেন তা প্রায় ৭০ বছর হয়ে গেল। তাই বলে মানুষের জীবনে কম কষ্ট কিন্তু তিনি দেখে যাননি। করোনার মধ্যেও সৃষ্টিশীলতা অব্যাহত রেখেছে যে, তরুণরা তাদের কয়েকজন মিলে একটি লিটল ম্যাগাজিনের করোনা সংখ্যা বের করেছে। নাম দিয়েছে ‘এবং মানুষ’। এর সম্পাদকীয়র শুরুতে তারা উদ্ধৃত করেছে দেখছি জীবনানন্দের বিষণ্ণ দুটি লাইন ‘পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন/মানুষ তবুও ঋণী পৃথিবীর কাছে।’

খুবই সত্য কথা। পৃথিবীর গভীর অসুখ গভীরতর হয়েছে, তবুও মানুষের ঋণ ওই পৃথিবীর কাছেই। পৃথিবী বলতে প্রকৃতি এবং মানুষ দুটিই বোঝায়। সবুজ প্রকৃতির কাছে যেতে হবে, যেমন যেতে হবে মানুষের কাছে। প্রকৃতি গ্রামে যত থাকে শহরে থাকে তার চেয়ে কম। বাংলাদেশে তো দেখা গেল, করোনার প্রকোপও শহরের তুলনায় গ্রামে স্বল্প। তাই বলে গ্রাম যে বসবাসের জন্য অত্যন্ত উপযোগী, তা কে বলবে। উপযোগী হলে গ্রামের বসবাস গুটিয়ে মানুষ স্রোতের মতো শহরে চলে আসত না, যেমনভাবে তারা এসেছে। করোনার আক্রমণে দিশেহারা হয়ে অনেক মানুষ গ্রামে ফিরে গেছে, কিন্তু গ্রামে তো জীবিকার বন্দোবস্ত নেই। গ্রামে গিয়ে তারা যে গ্রামবাসীর উপকার করবে, তা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। নিজেদের উপকার? সেটা তো আরো অসম্ভব।

আসলে যা প্রয়োজন তা হলো ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। সব ক্ষমতা চলে এসেছে শহরে। শুধু শহরে নয়, শহরের এক জায়গাতে, সচিবালয়ে। সচিবালয়েও ক্ষমতা থাকে না, থাকে সরকারপ্রধানের হাতে। এটাই সত্য, প্রায় বিশ্বজুড়েই। তবে আমাদের দেশে এটি বিশেষভাবে সত্য। এই এককেন্দ্রিকীকরণটা দুঃসহ ও অমানবিক। তাই তো দেখা যাচ্ছে আমেরিকাতে, যেখানে অঙ্গরাষ্ট্রগুলো বেশ ভালোরকমের ক্ষমতা রাখে, সেখানেও অসন্তোষ ফুঁসে উঠেছে ফেডারেল কেন্দ্রীয় শাসনের বিরুদ্ধে। আওয়াজ উঠেছে স্বাধীনতার। এ দাবি আগামীতে যে আরো জোরদার হবে এ কথা এখনই নির্ভয়ে বলে দেয়া যেতে পারে।

গ্রেট ব্রিটেন তার গ্রেটনেসটা টানাটানি করে বজায় রেখেছিল, বিশেষত নানা দেশে উপনিবেশ কায়েম করে, এখন কিন্তু কোণঠাসা হচ্ছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ওপরও আগের মতো প্রভাব রাখতে পারছে না দেখে এটা-ওটা বলে সেখান থেকে বের হয়ে এসেছে। কিন্তু ঘটনাপ্রবাহ ওই স্থানে থেমে থাকবে না, গ্রেট ব্রিটেন নিজেই ভাঙবে। স্কটল্যান্ডে ইতোমধ্যে স্বাধীনতার দাবি শক্তিশালী হচ্ছে। আগামীতে এ দাবি দুর্বল হবে না, আরো প্রবল হবে। আর আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার দাবি তো আজকে নয়। তবে শুধু বিকেন্দ্রীকরণেই তো স্বস্তি আসবে না মানুষের। বিকেন্দ্রীকরণের সঙ্গে গণতন্ত্রায়নও প্রয়োজন হবে।

খুব বড় সমস্যা ওই গণতন্ত্রায়নের ব্যাপারটাতেই। প্রশ্ন থাকে- গণতন্ত্র কীভাবে প্রতিষ্ঠা করা যাবে? কোন পন্থায়? নির্বাচন হচ্ছে সবচেয়ে পরিচিত পন্থা। কিন্তু তা কি এখন কাজ করছে? বাংলাদেশের কথা না হয় বাদই রাখলাম, এখানে রাষ্ট্র, সরকার ও সরকারি দল সবই মিলেমিশে এমনভাবে একাকার হয়ে আছে, যে কোনো নির্বাচনের অনেক আগেই নির্ভুলভাবে বলে দেয়া যায়- সরকারপক্ষের লোকেরাই জিতবে। তাই গুঞ্জন উঠেছে- নির্বাচনের আবার দরকার কী? টাকা ও সময়ের অপচয়, সংঘর্ষ, রক্তপাত নির্বাচন কমিশনের লজ্জাজনক ব্যর্থতা। এসব না ঘটিয়ে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পছন্দের লোকদের নির্বাচিত বলে ঘোষণা করে দিলেই ল্যাঠা চুকে যায়।

আমেরিকায় কী ঘটেছে, এ খবর কারো অজানা নয়। সারমর্ম হলো এই, সেখানে নির্বাচনী ব্যবস্থা আগামীতে ঠিকমতো কাজ করবে- এমন ভরসা কম। এবার নিয়মমাফিক একটা নির্বাচন হয়েছে, বিরোধী দলের প্রার্থী জিতেছেন। কিন্তু ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যাপারে অভূতপূর্ব জটিলতা দেখা দিয়েছিল। এ রকমটা আগে কখনো ঘটেনি, নাকি ঘটার কথাও ছিল না। রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, যার শাসনাধীনে নির্বাচন হয়েছে, সেই তিনিই বলেছেন, নির্বাচন ঠিকমতো হয়নি। নির্বাচনে তিনিই জিতেছেন, কিন্তু বিরোধীপক্ষ তার বিজয়কে ‘চুরি’ করে নিয়ে গেছে। গলায় জোর আছে, তাই উঁচু গলায় বলতে পেরেছেন। কিন্তু চুরির কোনো প্রমাণ তিনি হাজির করতে পারেননি। চোররা সাধারণত অল্পস্বল্প হলেও কিছু আলামত রেখে যায়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের গোয়েন্দারা তেমন কোনো কিছু সংগ্রহে সফল হননি। তার গলার জোরের পেছনে দলের জোরও ছিল। সেটাও কিছু কম নয় তার। অল্প ভোটেই হেরেছেন। ৭ কোটির অধিক ভোটার তাকে সমর্থন জানিয়েছে। তাকে নয় ঠিক, তার নীতিকে, যে নীতি চরমরূপে অগণতান্ত্রিক। এই সমর্থকদের একটা অংশ আমেরিকান গণতন্ত্রের যেটি কেন্দ্রীয় ঘাঁটি, ওয়াশিংটনের ক্যাপিটলে পার্লামেন্ট ভবন, সেখানে গিয়ে হামলা করেছিল। তাদের দাবি ছিল- নির্বাচনে ট্রাম্পই জিতেছেন। কাজেই তাকে নির্বাচিত বলে ঘোষণা করা চাই। প্রেসিডেন্ট সাহেব নিজে রাষ্ট্রীয় বাসভবনে তার অবস্থান থেকে বক্তৃতা দিয়ে তার একান্ত অনুসারী এসব লোককে প্ররোচিত করেছিলেন হামলার কাজে। এ ছিল একটা অভ্যুত্থানের মতো ঘটনা।

‘গণতন্ত্র’র বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী অভ্যুত্থান। এসব লোক সবাই শ্বেতাঙ্গ এবং প্রায় সবাই পুরুষ। শুধু তাই নয়, পার্লামেন্ট ভবনের প্রহরীরা তেমন কোনো বাধা দেয়নি, তাদের মধ্যে কাউকে কাউকে হাসি-হাসিমুখে নিষ্ক্রিয় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে, যেন অভ্যর্থনা জানাচ্ছে অতিথিদের। ভবনের ভেতরে সিনেটের অনেক সদস্যা চরম আতঙ্কের মধ্যে পড়েছিলেন। কাউকে কাউকে ছোটাছুটি করে আশ্রয় খুঁজতে হয়েছিল।

গৃহবিবাদের লক্ষণ ভারতেও দেখা দিয়েছে। ভারত পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র, সেখানে ‘গণতান্ত্রিক’ পদ্ধতিতে নির্বাচিত সরকারই ক্ষমতায় এসে থাকে এবং এবারো এসেছে। কিন্তু যারা ক্ষমতাসীন হয়েছেন, তারা যে ভারতবর্ষীয় সমাজের শ্রেষ্ঠ প্রতিনিধি, তা মোটেই নয় বরং বিপরীত স্থানেই তাদের অবস্থান। নির্বাচনে তাদের জয় এসেছে সে ধরনের আওয়াজ তুলেই, যেগুলো রিপাবলিকান পার্টির কেন্দ্রীয় ৫ শতাংশ আগামীতে প্রকাশ্যেই তুলবে। রিপাবলিকানরা বর্ণবিদ্বেষী, ভারতের বিজেপি যেমন বিধর্মবিদ্বেষী। ওরা শ্বেতকায়দের কর্তৃত্ব চায় আর বিজেপি চায় হিন্দুত্ববাদীদের কর্তৃত্ব। রিপাবলিকানরা বলে, আমেরিকাই প্রথম। বিজেপি বলে, ভারত অতুলনীয়। আওয়াজ আলাদা হতে পারে, ভেতরের বস্তু অভিন্ন। ফ্যাসিবাদী। রাষ্ট্রকে এরা ব্যবহার করতে চায় সংখ্যালঘু-নিপীড়নে। মিথ্যাকে এরা সত্য বলে মানে, ফ্যাসিবাদীদের যেমনটা স্বভাব।

লেখক: শিক্ষাবিদ ও সমাজ বিশ্লেষক

নয়া শতাব্দী/এসএম

নয়া শতাব্দী ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বেটা ভার্সন
x