ঢাকা | শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ৭ কার্তিক ১৪২৮

ভাঙা সংসার জোড়া লাগানোর কৌশল 

প্রকাশনার সময়: ০৩ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৪৮

একে অপরের সুখে-দুঃখে দুজনই পাশাপাশি থাকবে সারাজীবন এ বিশ্বাস নিয়েই শুরু হয় পথচলা। তবে এক সাথে চলতে গিয়ে সম্পর্কে যেমন সুখের সময় থাকে, তেমনি থাকে চড়াই-উৎড়াই। এ চড়াই- উৎড়াই পার করতে করতে সম্পর্ক হয়তো এক সময় বিচ্ছেদের দারপ্রান্তে এসে ঠেকে। তবে সম্পর্কে ভাঙন কারোরই কাম্য নয়। যদি সম্পর্ক কিছুটা ভেঙে যায় তাহলে একবার হলেও চেষ্টা করা উচিত সে সম্পর্কটাকে আবার একটু ঠিক করার। জেনে নিন সংসার জোড়া লাগানোর কিছু কৌশল_

সঙ্গীর কথা শুনুন: সঙ্গী যাই বলুক না কেন মনোযোগ দিয়ে শুনুন। এমনকি তার কথায় আপনি একমত না হলেও কথাটি মনোযোগ দিয়ে শোনার চেষ্টা করুন। হয়তো বা সঙ্গী পুরোনো ইতিহাস টেনে আনছে, বেশি কথা বলছে, কিছু গ্রাহ্য করছে না বা অঝোরে কাঁদছে- এমন হলেও তার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। তাকে কাঁদতে দিন। এতে সে একটা সময় চাপমুক্ত অনুভব করবে। আর এভাবেই সম্পর্ক মজবুত করার পথে এগোবেন আপনি।

সুখের সময়গুলো ভাবুন: পুরোনো সুখের স্মৃতিগুলোর কথা চিন্তা করুন। যখন নিজেদের ভেতর থাকবেন তখন যন্ত্রণা বা কষ্টের কথাগুলো মনে না করে সেই সময়গুলোর কথা ভাবুন যখন আপনারা অনেক হাসতেন, সুন্দর সময় কাটাতেন। এসব ভাবনাগুলো কিছুটা হলেও আপনাদের মানসিক চাপ কমাবে; সম্পর্ককে চাঙ্গা করতে কাজ করবে।

দ্বন্দ্ব এড়ান: বেশির ভাগ দম্পতিই হয়তো জানে কীভাবে দূরত্ব তৈরি করতে হয় বা দূরে চলে যেতে হয়। তবে খুব কম মানুষই জানে কীভাবে দূরত্ব দূর করতে হয়। দূরত্ব দূর করার প্রথম শর্ত হলো দ্বন্দ্ব বা ঝগড়া তৈরি করে এমন বিষয়গুলো এড়িয়ে যাওয়া। কথা বলার সময় এমন কিছু বলা বা করা উচিত যেটি অতীতের বেদনাগুলোকে ঘুচাতে সাহায্য করবে।

অতীতকে টানবেন না: অতীত কষ্টদায়ক ছিল বলেই তো দুজনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। এখন যেহেতু সম্পর্কটা ঠিকঠাক করতে চাইছেনই তাই পুরোনো যন্ত্রণাদায়ক অতীতগুলোকে বার বার টেনে আনবেন না। বর্তমানে থাকুন, বর্তমানে বাঁচুন।

ভালোবাসুন: আসলেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে ভালোবাসা, যত্নের কোনো বিকল্প নেই। আপনি তাকে কতটুকু ভালোবাসেন, আপনার জন্য সে কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটি তাকে বোঝানোর চেষ্টা করুন। ধৈর্য ধরে ভালোবেসে যেতে পারলেই হয়তো একটি সময় টিকে যায় সম্পর্ক।

তবে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে ধৈর্য ধরে ও সময় নিয়ে দুজনের আলাপে বসা উচিত। যেকোনো ঘটনার পরিণতিটা আগেভাগে ভেবে নেয়া দরকার। প্রত্যেকে নিজেদের একলা চিন্তা করারও সময় দিন। সংসারে ভাঙন শুধু নিজেদেরই নয়, সন্তানদের ওপরও প্রভাব ফেলে। ওদের ভবিষ্যৎ জীবনও অনিশ্চয়তায় ছেয়ে যায়। নিজেদের জাহির করতে যাওয়ার আগে ভাবুন আপনি আসলে কী চান? নিজেদের সমস্যা নিজেদের দ্রুত মিটিয়ে নেন।

নয়া শতাব্দী/এমআর

নয়া শতাব্দী ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বেটা ভার্সন