ঢাকা, বুধবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২২, ৫ মাঘ ১৪২৮, ১৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

ওমিক্রন ভেঙে ফেলে এন্টিবডি!

প্রকাশনার সময়: ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১৫:৪৭ | আপডেট: ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১৫:৫৩

করোনার কালো থাবা থেকে যখন ধীরে ধীরে বিশ্ব নিজেকে মুক্ত করছে তখন নতুন আতঙ্ক হয়ে সামনে এসেছে ওমিক্রন। গবেষকরা বলছেন, শরীরের এন্ডিবডি সিস্টেম ভেঙে ফেলতেও সক্ষম ওমিক্রন।

এ বিষয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকার কোয়াজুলু-নাটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রিচার্ড লেসেলস বলছেন, ‘এ ভাইরাসের সংক্রমণের ক্ষমতা এবং এক মানুষ থেকে অন্য মানুষে ছড়িয়ে পড়ার ক্ষমতা বেশি। এসব আমাদের শঙ্কার মধ্যে ফেলেছে। আমাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতাকে ভেদ করার কিছু ক্ষমতাও সম্ভবত এর রয়েছে।’

অন্যদিকে, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রবি গুপ্ত বলছেন, রোগ প্রতিরোধক্ষমতাকে ফাঁকি দেওয়া ছাড়া বেটা আর কিছুই করতে পারত না। ডেলটার সংক্রমণের ক্ষমতা ছিল বেশি এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতাকেও মোটামুটি ফাঁকি দিতে পারত। কিন্তু নতুন ধরন ওমিক্রন দুদিক থেকেই সমানভাবে পারদর্শী।

আনন্দ বাজার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের ডেল্টা কিংবা বেটা রূপের তুলনায় ওমিক্রনের পুনর্সংক্রমণের হার প্রায় তিন গুণ বেশি! সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায় এমনটাই দাবি করা হয়েছে। ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় ওমিক্রনের সংক্রমণ লেখচিত্র বিশ্লেষণ করা হয়েছে ওই সমীক্ষায়। সেখানে প্রায় ২৮ লক্ষ নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে, অন্তত ৩৫,৬৭০ জনের দেহে দ্বিতীয় বা তার বেশি বার সংক্রমণের কারণ হয়েছে ওমিক্রন। তবে ওই রিপোর্টটি এখনও পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা করা হয়নি।

এ বিষয়ে ডব্লিউএইচও এর কোভিড-১৯ বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ডেভিড নাবারো বলেছেন, ‘সাউথ আফ্রিকায় ছড়িয়ে পড়া নতুন ধরন ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ রয়েছে৷ কেননা, টিকার কারণে যে প্রতিরোধ ব্যবস্থাটি সবাই মিলে এতদিনে গড়ে তুলতে পেরেছিল সেটি ভেঙ্গে ফেলার ক্ষমতা এই ভাইরাসটির আছে বলে তার কাছে মনে হচ্ছে৷’

তবে সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়টি হলো চীনের উহানে প্রথম যে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছিল, ওমিক্রন তার চেয়ে অনেকটাই আলাদা। এর মানে হলো করোনার মূল ধরণকে মাথায় রেখে তৈরি করা বিদ্যমান কোভিড টিকাগুলো নতুন এ ধরণের বিরুদ্ধে অতটা কার্যকর নাও হতে পারে।

নয়া শতাব্দী/জেআই

নয়া শতাব্দী ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়