ঢাকা, শুক্রবার, ২১ জানুয়ারি ২০২২, ৭ মাঘ ১৪২৮, ১৭ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে কুয়াশা উৎসব

প্রকাশনার সময়: ০৬ জানুয়ারি ২০২২, ০১:০৩ | আপডেট: ০৬ জানুয়ারি ২০২২, ০৬:৪০

‘সেই কুয়াশায় হঠাৎ পাই যদি তোমাকে’ প্রতিপাদ্য নিয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২য় বারের মতো ২ দিনব্যাপী কুয়াশা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ রাসেল কেন্দ্রিয় খেলার মাঠে ৫-৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হচ্ছে কুয়াশা উৎসব। চাদর মুড়ি দিয়ে ক্যাম্পাসে উপস্থিত হয়েছেন কুয়াশাপ্রেমীরা।

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড.সৌমিত্র শেখর দে বুধবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ফানুস উড়ানো ও অগ্নি প্রজ্বলনের মাধ্যমে কুয়াশা উৎসবের উদ্বোধন করেন।

কুয়াশা উৎসবে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য তুলে ধরতে পিঠা উৎসব, ছবি প্রদর্শন, চলচ্চিত্র প্রদর্শন ও সাহিত্য আড্ডার আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়াও বর্ণাঢ্য এ আয়োজনে আরো আছে বইমেলা, সংগীত, নৃত্য, স্ট্যান্ড-আপ কমেডি, ইনস্টলেশন আর্ট এবং পারফরমেন্স আর্ট। ‘সেই কুয়াশায় হঠাৎ পাই যদি তোমাকে’ এইভাবে ডেকেই কুয়াশা বন্ধুদের আমন্ত্রণ করা হয়েছে। সবার জন্য উম্মুক্ত এই কুয়াশা উৎসবে আছে নাগরদোলা, উপজাতিদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের দোকান, খেজুর রসসহ বিভিন্ন মুখরোচর ও ঐতিহ্যবাহী খাবারের দোকান ও নজরুল গানের আসর।

কুয়াশা উৎসবকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্ত-কর্মচারী,ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চাঞ্চল্যকর অবস্থা বিরাজ করছে। আয়োজনের প্রথম দিনের দর্শক সমাগম তাই মনে করিয়ে দেয়। দর্শকরা আশানুরূপ মুগ্ধও হয়েছেন প্রথম দিনের আয়োজনে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা উৎসবকে ঘিরে আগ্রহের তুঙ্গে আছেন। প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সাড়া পড়েছে সবার মাঝে।

অর্থনীতি বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী হীরা মণি বলেন, ‘শীত মৌসুম নয়, এটি একটি উদযাপন। এর আগের কুয়াশা উৎসবে ছিলাম না। এবারের কুয়াশা উৎসব দেখে ভালো লাগছে। আসুন শীতকে ভালবাসি, কারণ এটি প্রতিভা বসন্ত। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এত সুন্দর ও গোছালোভাবে শীতকে উদযাপনের ব্যবস্থা করায়।’

উপাচার্য প্রফেসর ড.সৌমিত্র শেখর দে বলেন, ‘শীত একটি স্বতন্ত্র ঋতু। যদিও শীত গরীব মানুষের কাছে এক বেদনার আহ্বান, তবুও আমরা শীতকে হারাতে চাই না। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে। কুয়াশা উৎসব নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি স্বতন্ত্র উৎসব। আমরা চাই এই উৎসবকে জাতীয় ভাবে পালন করতে। শহর থেকে প্রান্তিক গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে দিতে।’

পাশাপাশি শীতার্তদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা এই উৎসবকে সবার জন্য আনন্দময় করে তুলব। শীতার্তদের প্রয়োজনীয় শীত বস্ত্রের ব্যবস্থাও করব।’

দ্বিতীয় দিনেও উৎসব আরো জমে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আয়োজক কমিটি ।

নয়া শতাব্দী/জিএস

নয়া শতাব্দী ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়