ঢাকা, বুধবার, ৫ অক্টোবর ২০২২, ২০ আশ্বিন ১৪২৯, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪
জনবল সংকট

কেন্দুয়ায় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত

প্রকাশনার সময়: ০৪ আগস্ট ২০২২, ২২:৩২ | আপডেট: ০৪ আগস্ট ২০২২, ২২:৩৮

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় জনবল সংকটের কারণে প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ১৩টি পদের মধ্যে ৮টি পদই শূন্য রয়েছে। উপজেলায় ১৮২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে ৪৭টি এবং ৮৫৭ সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে ৭১টি পদ।

কেন্দুয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, কেন্দুয়া উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়নে ১৮২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসে অনুমোদিত পদ হলো- একজন শিক্ষা অফিসার, ৭ জন সহকারী শিক্ষা অফিসার, ৪ জন অফিস সহকারী ও একজন অফিস সহায়ক। এর মধ্যে কর্মরত রয়েছেন ৩ জন সহকারী শিক্ষা অফিসার, একজন অফিস সহকারী ও একজন অফিস সহায়ক। ১৩ জনের কাজ ৪ জনে করতে গিয়ে অনেক বেগ পেতে হচ্ছে তাঁদের।

এ সব পদ শূন্য থাকায় একদিকে নিয়মিত বিদ্যালয় তদারকির হয় না, অপরদিকে দাপ্তরিক কাজ করতে গ্রাম থেকে শিক্ষকরা শিক্ষা অফিসে এসে ঘন্টা পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়। ফলে কাজ করতে এসে শিক্ষকরা ভোগান্তিতে পড়েন।

উপজেলার স্কুলগুলো নিয়ে ৭টি সাবক্লাস্টার গঠিত থাকলেও নানা কারণে দীর্ঘদিন ধরে সাবক্লাস্টার মিটিং কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি চালু হয়েছে মাসিক সমন্বয় সভাটি।

জহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো.জামিরুল ইসলাম জানান, শিক্ষা অফিসে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো শূন্য থাকায় আমরা প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছি। জরুরি ভিত্তিতে শূন্য পদগুলোতে কর্মকর্তা পদায়নের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি করছি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম বলেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো শূন্য থাকায় অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। অনেক স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই। সব মিলে প্রাথমিকে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

কেন্দুয়া উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাছলিমা আক্তার লিপি জানান, শিক্ষা অফিসারসহ ৪ জন সহকারী শিক্ষা অফিসার, ৩ জন অফিস সহকারী ও অফিস সহায়ক পদ শূন্য রয়েছে। তাছাড়া ১৮২ স্কুলের মধ্যে ৪৭ টিতে প্রধান শিক্ষক নেই। সহকারী শিক্ষকের ৭১টি পদ শূন্য রয়েছে। ১৩ জনের কাজ ৪ জনে করে। বুঝতেই পারছেন, কেমন আছি আমরা। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

নয়া শতাব্দী/এফআই

নয়া শতাব্দী ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আমার এলাকার সংবাদ