ঢাকা | রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৪ আশ্বিন ১৪২৮

বন্যার কারণে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা

মোঃ ইব্রহীম, রাজৈর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশনার সময়

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:৩৮

করোনা মহামারীর কারণে দীর্ঘদিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকার পর আগামী ১২ সেপ্টেন্বর বিদ্যালয় চালুর খবরে মাদারীপুরের রাজৈর ও পার্শ্ববর্তী মুকসুদপুর উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে চলছে নানা প্রস্তুতি। করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্য বান্ধব পরিবেশ গঠনে চলছে নানা কর্মকান্ড।

তবে বন্যার কারণে পাঠদানের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে দুই উপজেলায় ১২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এর মধ্যে মুকসুদপুর উপজেলায় ৮টি ও রাজৈর উপজেলায় ৪টি। এসব বিদ্যালয়ের মাঠ ও যাতায়াত পথ বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমতাবস্থায় দীর্ঘ দেড় বছর পর আগামী ১২ সেপ্টেন্বর থেকে বিদ্যালয় চালু হলে এসব বিদ্যালয়ে পাঠদান নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

এতে হতাশ হয়ে পড়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।

পানিবন্দি ১২টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হলো- গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ১৪৫ নং পদ্মকান্দা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১২৩নং সুন্দরদী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১২০নং গৌরনদী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১২৪ নং তাতীহাটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৪৬ নং মোল্লাদী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাটিকেল বাড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বরমপাল্টা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেদগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় । এদিকে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার ১২ নং রাঘদী নাগরদী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, পুকুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হরিনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হিজলবাড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।

রাজৈর উপজেলার ১২ নং রাঘদী নাগরদী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা অঞ্জলী রানী বৈদ্য জানান, চারদিকে বন্যার পানিতে বিদ্যালয়টি পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এছাড়া বিদ্যালয়ের মাঠে পাট খড়ি ও ধানের খড়ের পালা দিয়ে রাখছেন এলাকাবাসি। এতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছি আমরা।

৫ম শ্রেণির ছাত্রী লামিয়া আক্তার জানান, স্কুলের চার পাশ দিয়ে পানি আমরা কি ভাবে স্কুলে যাবো।

তাতীহাটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিহির কুমার বিশ্বাস জানান, এ বিদ্যালয়ের যাতায়াতের রাস্তা বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে স্কুল গামী ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হবে।

মুকসুদপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার রফিকুল ইসলাম জানান, আমরা কয়েকদিন পূর্বে প্রতিটি স্কুল পরিদর্শন করেছি। কয়েকটি বিদ্যালয়ের যাতায়াতের রাস্তা বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। তবে পাঠদানে কোন সমস্যা হবে না। এছাড়া করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্য বান্ধব পরিবেশ গঠনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে।

রাজৈর উপজেলা শিক্ষা অফিসার রওনক আরা বেগম জানান, কিছু কিছু বিদ্যালয়ে সমস্যা রয়েছে। এগুলোর জন্য আমরা বরাদ্দের আবেদন করেছি। এছাড়াও আমরা জুম মিটিং করছি। কোন সমস্যা থাকলে সেগুলো সমাধান করে ক্লাস শুরু করা যাবে।

নয়া শতাব্দী/জেআই

নয়া শতাব্দী ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বেটা ভার্সন
x