ঢাকা | মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩ আশ্বিন ১৪২৮

পাঠদানে অনুপযোগী ৫৬ বিদ্যালয়

গোপালগঞ্জ ব্যুরো

প্রকাশনার সময়

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:২৮

দীর্ঘ দেড় বছর বন্ধ থাকার পর সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হচ্ছে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়। সে ক্ষেত্রে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ১৮৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও খুলে দেয়া হবে। আর এই বিদ্যালয় খুলে দেয়ার আনন্দে ভাসছে শিক্ষার্থীরা। তবে উপজেলার কিছু কিছু বিদ্যালয় ভবন জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে এক ধরনের উদ্বেগ কাজ করছে। যে কোনো মুহূর্তে জরাজীর্ণ এসব ভবনের ছাদ ধসে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

এ উপজেলার ১৮৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৬টি বিদ্যালয়ের ভবন জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে বলে উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে। এসব বিদ্যালয়ে বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকার কারণে বিদ্যালয়গুলো খুলে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীদের এই জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান করাতে হবে।

৪০নং ধারাবাশাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিখিল চন্দ্র বাড়ৈ বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ে ৩৭৬ শিক্ষার্থী রয়েছে। এই শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানোর জন্য একটি টিনশেড ভবন ও দু’কক্ষ বিশিষ্ট একতলা একটি পাকা ভবন রয়েছে। এই পাকা ভবনের একটি রুমে রয়েছে আমাদের অফিস কক্ষ। অপর কক্ষে আমরা শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাই। এ ভবনটিও ঝুঁকিপূর্ণ। ভবনটির পলেস্তারা খসে পড়ছে। টিনশেড ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে প্রায় ১৫ বছর আগে। এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই আমরা শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাই।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাজী সাফায়েত হোসেন বলেন, আশপাশের উপজেলাগুলোর চেয়ে আমাদের এ উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষার মান অনেক উন্নত। বর্তমান সরকার এ উপজেলায় পর্যাপ্ত শিক্ষা উপকরণ দিচ্ছেন। কিন্তু আমাদের অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভবন নেই। অনেক বিদ্যালয়ের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। অপরদিকে, অনেক বিদ্যালয়ে পিডিবি-২ এর আওতায় দু’কক্ষ বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি থাকার কারণে শিক্ষকদের পাঠদানে সমস্যা হচ্ছে। তাই আমি দ্রুত প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ভবন সমস্যা সমাধানের দাবি জানাচ্ছি।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার অরুন কুমার ঢালী বলেন, আমরা এই জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর তালিকা গত বছরের জানুয়ারি মাসে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে পাঠিয়েছি। এসব ভবন পাস হয়েছে কিনা এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত চিঠি পাইনি। তবে আশা করছি, শিগগিরই ভবনগুলো পাস হবে।

নয়া শতাব্দী/এমআর

নয়া শতাব্দী ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বেটা ভার্সন
x