ঢাকা | সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৫ আশ্বিন ১৪২৮

সিলেট-৩ উপনির্বাচন : আঙুলের ছাপ মিলছে না জাপার আতিকের

সিলেট ব্যুরো

প্রকাশনার সময়

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:৪৮

আপডেট

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:৫১

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে চলছে শতভাগ ইভিএম ভোটিং। কিন্তু ইভিএম পদ্ধতিতে বিপাকে পড়েছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী আতিকুর রহমান আতিক। আঙুলের ছাপ না মেলায় ভোট কেন্দ্রে গিয়েও ভোট দিতে পারেনি তিনি।

শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় এ আসনের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার রেবতি রেমন উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে গেলে ইভিএম মেশিনে আতিকের আঙুলের ছাপ মেলেনি।

বিষয়টি নয়া শতাব্দীকে নিশ্চিত করেছেন আতিক নিজেই।

তিনি বলেন, কেন্দ্রের কর্মকর্তারা আমাকে বলেছেন সমস্যা সমাধান করে ফোন করে জানাবেন৷ তখন আমি ভোট দিতে যাবো।

এদিকে সকালে দক্ষিণ সুরমার কামাল বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন নৌকার প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী শফি আহমেদ চৌধুরী দাউদিয়া গৌছ উদ্দিন সিনিয়র মাদ্রাসায় ভোট দিয়েছেন।

এর আগে সকাল ৮ টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হলেও ভোটারদের উপস্থিতি খুবই কম।

অবশ্য আগে থেকেই আশংকা করা হচ্ছিলো ভোটারদের উপস্থিত কম হবে। এমনকি গতকাল পর্যন্ত ভোট নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে আগ্রহও তেমন ছিলো না। এমনকি নারী ভোটারদের উপস্থিত নেই বললেই চলে। তবে দুপুরের দিকে ভোটারদের উপস্থিত বাড়ার প্রত্যাশা থাকলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দুপুর ১ টায়ও ভোটারদের উপস্থিতি তেমন দেখা যায়নি।

দক্ষিণ সুরমা-ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৪৯ টি। সকল কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে চলছে ভোট। তবে নতুন এ পদ্ধতিতে ভোটারদের আগ্রহ বেশি থাকার কথা থাকলেও ১-২ জন করে কিছু সময় পর পর ভোটার আসছেন কেন্দ্রে।

এদিকে চলতি বছরের ১১ মার্চ এ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস-সামাদ চৌধুরী কয়েস করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে ১৫ মার্চ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। পরে নির্বাচন কমিশন থেকে তফসিল ঘোষণা করা হলেও কয়েক দফায় পিছিয়ে চূড়ান্ত হয় ৪ সেপ্টেম্বর। সে অনুযায়ী সকাল থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। এ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে হাবিবুর রহমান হাবিব, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে আতিকুর রহমান আতিক, দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতি করলেও স্বতন্ত্র থেকে মোটরকার প্রতীকে শফি আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাব প্রতীকে জুনায়েদ মোহাম্মদ মিয়াসহ মোট চার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।

এদিকে রিটানিং কর্মকর্তা ও সিলেটের জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ভোটকেন্দ্রে পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশের ১৭ থেকে ১৮ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। আর গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে নিয়োজিত আছেন ১৮ থেকে ১৯ জন সদস্য।

অপরদিকে পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসারের সমন্বয়ে গঠিত ২১টি মোবাইল ফোর্স, ১২টি স্ট্রাইকিং ফোর্স, র‌্যাবের ১২টি টহল টিম ও ১২ প্লাটুন বিজিবি নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা মোকাবিলায় বিজিবির সঙ্গে ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। তাদেরকে মনিটরিং করছেন ৩ জন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক।

নয়া শতাব্দী/এসএম

নয়া শতাব্দী ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বেটা ভার্সন
x