ঢাকা | রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ আশ্বিন ১৪২৮

বন্যায় টাঙ্গাইলে ৭৯০ হেক্টর রোপা আমন পানির নিচে

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

প্রকাশনার সময়

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:৪৬

আপডেট

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:২৮

টাঙ্গাইলে যমুনার পানি অপরিবর্তীত থাকলেও ধলেশ্বরী ও ঝিনাই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা অবনতি হয়েছে। বিভিন্ন নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী, ভূঞাপুর, বাসাইল ও নাগরপুর উপজেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় যমুনা নদীর পানি অপরিবর্তীত থেকে বিপদসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার, ধলেশ্বরী নদীর পানি ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৭৮ সেন্টিমিটার এবং ঝিনাই নদীর পানি ৪ সে.মি.বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৯২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বিগত কয়েকদিনে বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ ও কালভার্ট এবং রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে ভাঙন।

জেলা কৃষি বিভাগ জানায়, এবার ৮৯ হাজার হাজার হেক্টর রোপা আমন লাগানো হয়েছে। এর মধ্যে এবারের বন্যায় ৭৯০ হেক্টর রোপা আমন পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।

এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আহসানুল বাসার বলেন, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পানি নেমে গেলে নিমজ্জিত রোপা আমন ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা কম। তবে পানি না নামলে নিমজ্জিত পুরো রোপা আমনই ক্ষতি হবে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে কৃষি মন্ত্রণালয়ে তালিকা পাঠনো হয়েছে । গত বছরের ন্যায় এবারও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষদের সহযোগিতা করা হবে।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন জায়গায় নদী তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। পানি নেমে গেলে ভাঙন আরো তীব্র হবে। ইতিমধ্যে কিছু জায়গায় ভাঙন রোধে কাজ করা হচ্ছে। তবে পানি পুরোটা নেমে গেলে পরিস্থিতি বুজে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভিন্ন জায়গায় কাজ করা হবে বলে তিনি জানান।

নয়া শতাব্দী/এসকে

নয়া শতাব্দী ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বেটা ভার্সন
x